প্রিন্ট এর তারিখঃ Jun 29, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Apr 5, 2026 ইং
ইউএনও-এসি ল্যান্ডের মৌখিক অনুমোদনে আবাদি জমি হয়ে যাচ্ছে পুকুর!

নাচোল, (চাঁপাইনবাবগঞ্জ )প্রতিনিধি :
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলায় ২৫ বিঘা ধানি জমি পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, প্রায় ৫ বছর পূর্বে উপজেলার ফতেপুর ইউপি'র পাহাড়পুর মৌজার ৩৩০ ও ৩৩১ দাগে প্রায় ২৫ বিঘা ধানী জমি মাটি কেটে পাড় বেঁধে জমি আকার পরিবর্তনের চেষ্টা করে। চলতি বছর নাচোল উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়ার নিকট পুনঃ সংস্কারের জন্য আবেদন করলে তিনি মৌখিকভাবে মাটি কাটার অনুমতি দেন।
গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা গ্রামের জালাল উদ্দিন বলেন, আমি ৪/৫ বছর পূর্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার হুমায়ুন চৌধুরীর নিকট হতে উক্ত জমি লীজ নিয়ে ধানি জমিতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ করে আসছি। বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নিবার্হী অফিসার বরাবর আবেদন করা হয়।তবে নাচোল উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) সুলতানা রাজিয়ার মৌখিক অনুমতি নিয়েই পাহাড়পুর এলাকার ২৫ বিঘা জমির চারপাশে ভেকু মেশিন দিয়ে পুনঃসংস্কার করছি।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত)ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুলতানা রাজিয়া অনুমতি দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন,আমি তাকে পুকুর পুনঃ সংস্কারের মৌখিক অনুমতি দিয়েছি । তবে সে রাতের আঁধারে মাটি কাটতে পারবে না এবং অন্য কোথাও মাটি পরিবহন করতে পারবে না । তিনি আরো বলেন, আমি সবাইকে অনুমতি দিচ্ছি না তবে দুই একজনকে দিয়েছি।
নাচোল উন্নয়ন ফোরামের সদস্য সচিব আমানুল্লাহ আল মাসুদ বলেন, আবাদি জমি এভাবে কমতে থাকলে দেশে খাদ্য সংকট দেখা দেয়ারও সম্ভাবনা আছে বলে মনে করি।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মোঃ মুসা জঙ্গী জানান- বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ -২আসনের সংসদ সদস্য ডঃ মিজানুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, আমরা আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। প্রত্যেককে নীতিমালা মেনে চলা উচিত। আইন মানা না হলে আগামীতে আবাদযোগ্য জমি শূন্যের কোটায় যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
© দৈনিক চেতনার কন্ঠ