মোঃ রায়হান মিয়া, কচুয়া (চাঁদপুর) প্রতিনিধি:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ১২ নং আশরাপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মোহাম্মদ শামীম বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনি অন্যান্য প্রার্থীদের তুলনায় জনসমর্থনের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন। হাজী মোহাম্মদ শামীম ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে সুপরিচিত। তিনি জানান, বিগত সরকারের সময় রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে তাকে বিভিন্ন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হতে হয়েছে। এক ঘটনায় তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কচুয়া রেজিস্ট্রি অফিসে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে গিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে। পরে স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্যোগে তিনি মুক্তি পান। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক জীবনে কখনো দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে ব্যক্তিগত সুবিধা গ্রহণ করেননি। বরং সবসময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছেন। হাজী মোহাম্মদ শামীম বলেন, “আমি দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের পাশে থাকতে চাই। আল্লাহ আমাকে অনেক কিছু দিয়েছেন। জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করেন, তাহলে ইউনিয়নের একটি টাকাও আত্মসাৎ করবো না।” তিনি আরও প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, চেয়ারম্যান হিসেবে প্রাপ্ত সম্মানী ভাতা গরিব ও অসহায় মানুষের কল্যাণে ব্যয় করবেন। বিশেষ করে সন্তান জন্মদান, মেয়ের বিয়ে বা অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনে যারা আর্থিকভাবে অসহায়, তাদের সহায়তায় এই অর্থ বিতরণ করা হবে। ব্যক্তিগত জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন,
“আমার বাবা-মা নেই। তাদের স্মৃতি ধরে রাখতে আমি এলাকাবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।”
স্থানীয়দের মতে, হাজী মোহাম্মদ শামীম দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তিনি মসজিদ, এতিমখানা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি বহু এতিম মেয়ের বিয়ে এবং দরিদ্র পরিবারের ঘর নির্মাণে সহায়তা করেছেন। রমজান ও ঈদে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ এবং করোনাকালীন সময়েও তিনি নিজ উদ্যোগে সাহায্য প্রদান করেছেন। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই তার এসব মানবিক কার্যক্রম ও প্রতিশ্রুতি ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন
দৈনিক চেতনার কন্ঠ